+8801309105049
     প্রতিষ্ঠাহযরত আলহাজ্ব শাহ্ আল্লামা মুহাম্মদ আবদুর রশিদ ছিদ্দিকী হামেদী (হযরত ছোট হুজুর কেবলা রহঃ)
সভাপতির বাণী
chairman image
শাহজাদা আলহাজ্ব মাওলানা আবু রাশেদ মুহাম্মদ মহিউদ্দিন সিদ্দিকী
মহান রাব্বুল আ’লামীনের দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি যিনি অত্র মাদরাসাকে দিন দিন উন্নতির দিকে নিয়ে যাচ্ছেন। দরুদ ও সালাম প্রেরণ করছি মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর রওজা মোবারকে। যিনি পুরুষের পাশাপাশি নারীদের জন্য আলাদা তথা পৃথক শিক্ষাব্যস্থার মাধ্যমে এলমে দ্বীন শিক্ষা দিয়ে নারী শিক্ষার গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছেন। সাথে সাথে মহান আল্লাহর দরবারে হযরত বড় হুজুর বেবলা (রহ.) ও অত্র মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা হযরত ছোট হুজুর কেবলা (র.)এর রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। বর্তমান সময়ে শিক্ষা সংস্কৃতির অঙ্গন যখন অপসংস্কৃতির দখলে, সহ শিক্ষার নামে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশাসহ বেহায়া ও বেলেল্লাপনার কারণে সাহিত্যে ও শিক্ষায় নারীদের সুষ্ঠু অংশগ্রহণ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে, ঠিক এমনি সময়ে অত্র মহিলা মাদরাসাটি ঐ সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পলন করছে। মুসলিম উম্মাহ বলতেই একটি সুশিক্ষিত ও স্বনির্ভর জাতিকে বুঝায়। যেখানে অজ্ঞতা, গোঁড়ামী, কুসংস্কার ও বৈষম্যের স্থান নেই। নারীকে অশিক্ষিত বা অর্ধশিক্ষিত রেখে ইসলমিী সমাজ কিংবা উন্নয়ন মূলক রাষ্ট্রের চিন্তা- নিতান্তই বোকামী ও অর্থহীন। কেননা নবী করিম (সা.) বলেছেন-طلب العلم فريضة على كل مسلم ومسلمة “প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর উপর বিদ্যা অর্জন করা ফরজ। তবে এ শিক্ষা হতে হবে নারীদের জন্য সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র পন্থায়। যেমন অপর হাদীসে বর্ণিত আছে একদিন এক মহিলা সাহাবী রাসুল (সা.) এর নিকটে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! পুুরুষরাতো নিয়মিত আপনার কাছে শিক্ষা নিচ্ছে, আমাদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময় দিন , যাতে আমরাও আপনার কাছে শিক্ষা নিতে পারি। রাসুল (সা.) তাঁদেরকে একটি সুনির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হতে বললেন। রাসুল (সা.) নিয়মিত সেখানে যেতেন এবং তাদেরে বিভিন্ন শরয়ী সমস্যার সমাধান দিতেন।” এমনকি রাসুল (সা.) মসজিদে নববীতে একটি সুরক্ষিত স্থানে মহিলাদেরকে নিয়মিত কোরআন হাদীসের শিক্ষা দিতেন। এতদ্দোশ্যে হযরত ছোট হুজুর কেবলা (রহ.) ১৯৭৯ খ্রিস্টাব্দে অত্র মহিলা মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন। হাটি হাটি পা পা করে বর্তমানে অত্র মাদরাসা দক্ষিণ চট্টগ্রামে একটি মডেল নারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফলাফলের ক্ষেত্রে বরাবরই উপজেলায় শীর্ষ স্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়। হযরত ছোট হুজুর কেবলা (রহ.) তাক্বওয়ার মাধ্যমে অত্র মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তাই অত্র মাদরাসা থেকে বিবি মরিয়ম (আ.), হযরত খাদিজা (রা.) হযরত আয়েশা (রা.) ও হযরত ফাতিমা (রা.) এর মত মহিয়সী রমণী দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষা গ্রহণ করে সমাজে ও পারিবারে তাকওয়ার বীজ বপন করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে আশাবাদ ব্যক্ত করছি। আমিন।